নিজস্ব প্রতিবেদক ::
কে এই রাশেদ, সে ছিলেন একজন ব্যাংক ম্যানেজার। ২০১৫-২০২৪ সাল পর্যন্ত যে ছিল কুষ্টিয়ার আতা কামারুল ও তনুর অবৈধ অর্থ হেফাজতকারী। সমস্ত অবৈধ হাট ঘাট বালি মহালসহ যত টেন্ডার হত সবই তার কারিশমা, যেই যা করুক সব টাকা থাকবে তার কাছে মানে সে হচ্ছে তহবিল হেফাজতকারি। আসলে সে আমানত খেয়ানতকারি বা শাখের করাত, টাকা জমা রাখতেও কমিশন, আবার হেফাজতে সরাতেও কমিশণ দিতে হয় তাকে। অনুসন্ধানে জানা যায় ২৪ সালের ৫ই আগষ্টের পর দুর্নীতিবাজ নেতারা পলাতক হলে সে হয়ে যায় মুকুটহীন সম্রাট। নেতাদের শত শত কোটি টাকা থাকে তার কাছে।
জুলা্য়েই অভ্যুন্থানের পর থেকে পলাতক নেতারা যোগাযোগ শুরু করে তার সাথে। আর এতেই তার কপাল খুলে যায়। হয়ে যান কৌশলী নেতাদের সে বলতে থাকে সরকার থেকে আপনার একাউন্ট ফ্রীজ করার জন্য চাপ আছে। আপনারা কি করবেন, পলাতক নেতারা টাকা হারানোর ভয়ে পাগল প্রায়, ঠিক সে সময় ম্যানেজার রাশেদ তাদের আশ্বস্ত করেন বলেন, আমি হেড অফিসে কথা বলে ব্যাবস্থা করবো, পরে তাদের জানানো হয় যে এক কোটি তে আশি লাখ পাবেন এবং দ্রত নিতে হবে। না হলে আর এ টাকা তুলতে পারবেন না, পরে সমঝোতা হয় ভারতের বর্ডার এর কাছাকাছি জায়গা থেকে চেক সহি করিয়ে আনবেন এই ম্যানেজার। তারপর নিজ দায়িত্বে টাকা পৌছে দিবেন বর্ডার সংলগ্ন গোপন স্থানে। এমন করে চলতে থাকে বেশ কিছু দিন, অতপর হিসাব শেষ হতেই ম্যানেজারের কমিশনই যমে যায় কয়কশ' কোটি টাকা। যখন টাকার পাহাড় জমে যায় ঠিক তখনই চাকরি ছাড়েন ম্যানেজার রাশেদ। লোক চোক্ষুর আড়ালে চলে যান। জানা যায় ঢাকা শহরে লুকিয়ে আছেন তিনি, ঢাকা শহরে কিনেছেন অভিযাত এলাকায় ফ্লাট কিনেছেন ৩০০ ফিটে প্লট, আমাদের অনুসন্ধান চলমান আরো বিস্তারিত আসছে। চোখ রাখুন এবিসি টিভির জিরো ক্রাইমে।
প্রকাশনায় ৩৬ বছর
সম্পাদক ও প্রকাশক :
আরিফ হোসেন নিশির
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক :
ডি এস মাহফুজা হোসেন মিতা
বার্তা ও বাণিজ্যিক বিভাগ : ৮২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক (৩য় তলা) ওয়্যারলেস মোড়, বড় মগবাজার, ঢাকা-১২১৭ থেকে প্রকাশকের পক্ষে ঐশ্বয্য হোসেন জয় কর্তৃক প্রকাশিত। একই সাথে
প্রকাশকের পক্ষে টোকিও প্রিন্টিং প্রেস
মিরপুর ১ , ঢাকা-১২১৬ থেকে মুদ্রিত।
ফোন : +৮৮০১৭১১৫৪০৫২৬, +৮৮০১৬১১৫৪০৫২৬
Email:muktabangla1990@gmail.com
web:www.muktabangla.com
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬