ঢাকাবুধবার , ২৮ অক্টোবর ২০২৬
  1. অন্যান্য
  2. অপরাধ-দুর্নী‌তি-আইন শৃংখলা
  3. অর্থনীতি
  4. আইন আদালত
  5. আইন ও পরামর্শ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আবহাওয়া
  8. ইসলাম ও ধর্ম
  9. এবি‌সি টি‌ভি
  10. কর্পোরেট
  11. কৃষি
  12. ক্রিকেট
  13. খুলনা
  14. খেলাধুলা
  15. গন মাধ‌্যম ও সাংবা‌দিকতা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সাতক্ষীরায় ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের প্রভাবে নদী ভাঙন ও প্লাবিত হওয়ার শঙ্কা

muktabangla
অক্টোবর ২৮, ২০২৬ ১:০৬ অপরাহ্ণ
Link Copied!

মিহিরুজ্জামান::
ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের প্রভাবে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার পদ্মপুকুর ইউনিয়নের বন্যা তলায় খোলপেটুয়া নদীর বেড়ি বাঁধে প্রায় ৩০০ ফুট জুড়ে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাতে এ ভাঙন শুরু হয়। এতে বেড়িবাঁধ ভেঙে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান,ওয়াপদা সড়কের বাইরে চরের মতো প্রায় ১০০ ফুট অংশ ছিল। ঝড়ের পর পরই ওই অংশে ভাঙন শুরু হয়ে প্রায় ৩০০ ফুট এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। এতে চরের প্রায় ১০০ ফুট অংশ নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। পাশা পাশি মূল ওয়াপদা সড়কের প্রায় ৩০ ফুট ঢালও ভেঙে নদীতে চলে গেছে। বর্তমানে সড়কের মূল অংশের দিকেও ভাঙন অব্যাহত রয়েছে।ভাঙনস্থলটি পদ্ম পুকুর ইউনিয়নের চেয়ে প্রতাপনগর ইউনিয়নের কাছাকাছি হওয়ায় প্রতাপনগরের বিভিন্ন মসজিদের মাইকে স্বেচ্ছা শ্রমে বাঁধ রক্ষায় অংশ নিতে স্থানীয়দের আহ্বান জানানো হয়। খবর পেয়ে পদ্ম পুকুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমজাদুল ইসলাম,আশাশুনি উপজেলা জামায়াতের সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা রিয়াছাদ আলী সহ আশ পাশের এলাকার প্রায় পাঁচ শতাধিক মানুষ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।
বর্তমানে ভাঙন ঠেকাতে জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলার কাজ চলছে। ভাঙন স্থলের পাশে অন্য কাজের জন্য আগে থেকে প্রস্তুত রাখা জিও ব্যাগ স্বেচ্ছা শ্রম ও শ্রমিক নিয়োগের মাধ্যমে ডাম্পিং করা হচ্ছে।
স্থানীয় এনজিওকর্মী মাওলানা জাহিদুল ইসলাম বলেন,বেড়ি বাঁধের ভেতরের পাশে থাকা লেকটি এই ভাঙনের অন্য তম কারণ। ভাঙন দিয়ে নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করলে তালতলা বাজার, কুড়িকাহুনিয়া, প্রতাপনগর ফাজিল মাদ্রাসা, আল-আমিন মহিলা মাদ্রাসা, বন্যাতলা, বন্যাতলা স্কুল ও দরগাতলার আইটি সহ প্রতাপনগর এলাকার বিস্তীর্ণ জনপদ প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। চেয়ারম্যান প্রার্থী মাওলানা রিয়াছাদ আলী বলেন,সম্প্রতি কুড়িকাহুনিয়ায় দেখা দেওয়া ভাঙনের তুলনায় বন্যা তলার ভাঙনের পরিধি প্রায় পাঁচ গুণ বেশি এবং এর গতিও অনেক তীব্র। তবে ভাঙন স্থলের ৪০০ ফুটের মধ্যে কয়েক হাজার জিও ব্যাগ প্রস্তুত থাকায় প্রতিরোধ কাজে কিছুটা সুবিধা মিলছে। কুড়িকাহুনিয়ার মতো এখানেও বেড়ি বাঁধের ভেতর দিয়ে সমান্তরাল ভাবে একটি গভীর লেক রয়েছে।
পদ্মপুকুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমজাদুল ইসলাম বলেন,পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাতক্ষীরা বিভাগ-২-এর অধীন ৭/২ নম্বর পোল্ডারে আকস্মিক এ ভাঙনের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা হয়েছে। বুধবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তারা। তবে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা পৌঁছানোর আগেই স্থানীয়রা নিজেদের সর্বোচ্চ সামর্থ্য দিয়ে বাঁধ রক্ষার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। স্থানীয়দের আশঙ্কা,দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে খোলপেটুয়া নদীর পানি লোকালয়ে ঢুকে ব্যাপক ক্ষয় ক্ষতি করতে পারে। তাই ভাঙন প্রতিরোধে দ্রুত পানি উন্নয়ন বোর্ডের কার্যকর উদ্যোগ দাবি করেছেন তারা। পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রহমান তাযকিয়া বলেন,বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং আপাতত কিছু প্রাথমিক কাজ শুরু হয়েছে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।