আরিফ নিশির ::
লম্পট নারী নির্যাতনকারি ধর্ষক হামিম ওরফে সোহেল জামিনে মুক্তি পেয়ে মামলাকারি নারী ও তার পরিবারকে প্রাণহানির হুমকি দিচ্ছে।
মামলার বাদী তানিয়া আক্তার সুমনা নামের ২৮ বয়সী সুন্দরী এই গৃহবধুর অভিযোগ হামিম ওরফে সোহেল একজন লম্পট, নারী নির্যাতনকারি ধর্ষক। নিজেকে সে আইনজীবি পরিচয় দেয়। তার স্বামীর সাথে পরিচয়ের সুবাদে বাসায় আসা যাওয়া করতে করতে পরকীয়া প্রেমের ফাদে ফেলে সুযোগ বুঝে শারিরীক সম্পর্কে জড়িয়ে ফেলে, তারপর ইচ্ছে মতো যখন খুশি তখন ধর্ষন করেন। কখন সেচ্ছায় কখনও জোর করে। তারপর সটকে পড়েন। এ এঘটনা জানাজানি হবার কারণে সুমনার স্বামী তালাক দেন তাকে। একেতো দুই শিশু সন্তান নিয়ে রাস্তার পরার উপক্রম তারওপর নির্যাতন ও ধর্ষণের বিচার চেয়ে মামলা করে পড়েছেন আরেক বিপদে। আসামী হামিম ওরফে সোহেল জামিনে মুক্তি পেয়ে প্রাণ নাশের হুমকি দিচ্ছে ! নির্যাতিত ও ধর্ষিতা নারী হিসেবে কি তিনি বিচার পাবেন না ?
একেতো স্বামী তালাক দেয়া বাচ্চাদেরখাকার যোগাড় করতে হিমসিম খাচ্ছেন। তারওপর মামলার আইনজীবির ফি জোগার করা কষ্ট সাধ্য । তারপর আদালতে আসার কারণে যদি প্রান নাশের হুমকি দেয় তিনি কোথায় গিয়ে বিচার চাইবেন ?
আগামী ৮ নভেম্বরে আদালতে এই নারী নির্যাতন মামলার নির্ধারিত তারিখ আছে। সেদিন ও যেন এই লম্পট নারী নির্যাতনকারি ধর্ষক হামিম ওরফে সোহেল জামিন না পায়। আদালত যেন তাকে জেল হাজতে রেখে বিচার কাজ শেষ করে দন্ড দেন সে প্রত্যাশা নির্যাতিতাদের।

মুলতঃ মোঃ হামিম ওরফে সোহেল পেশায় দালালীর কাজ করেন অথচ নিজেকে পরিচয় দেন আইনজীবি হিসেবে। আইনজীবি হওয়া দুরের কথা,যে লেখাপড়া সে করেছে তাতে মুহুরী হবার যোগ্যও না। অথচ এই ধুরন্ধর আইনজীবি পরিচয়ে অসংখ্য নারীর সঙ্গে শুধু শারিরীক সম্পর্ক গড়েননি ভেঙ্গেছেন অনন্তত কয়েক ডজ্জন নারীর সংসার। প্রলোভন দেখিয়ে লুটে নিয়েছেন অর্থসম্পদ। পারিবারিক বন্ধুত্বের সুযোগ নিয়েই তিনি অপরাধগুলো করেছেন এমন অভিযোগ ভুক্তভোগি অধিকাংশ নারীর। প্রথমে পরিচয় তারপর প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে বিয়ের প্রলোভন দেন। এরপর শরীরিক সম্পর্ক করে সটকে পড়েন। কেউ বা প্রতিবাদকরেন কেউ বা লোক লজ্জার ভয়ে চেপে যান।
তানিয়া আক্তার সুমনা নামের ২৮ বয়সী সুন্দরী গৃহবধু চেপে যেতে পারেননি। তিনি অভিযোগ করেন এই চিটিংবাজ হামিম ওরফে সোহেল নিজেকে আইনজীবি পরিচয় দেন। তার স্বামীর সাথে পরিচয়ের সুবাদে বাসায় আসা যাওয়া করতে করতে প্রেমের ফাদে।ফেলে সুযোগ বুঝে শারিরীক সম্পর্কে জড়িয়ে ফেলে।

প্র্তিদিন স্বামীর অনুপস্থিতিতে বাসায় এসে এসে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে। সুমনার বাবাঃ তাইজাল বেপারী ও মাঃ পারুল বেগম বিষয়টি বুঝে উঠবার আগে হামিম ওরফে সোহেল সুমনার সাথে কঠিন সম্পর্ক গড়ে তোলেন। সুযোগ পেলেই চাইনিজ রেস্টুরেন্টে খেতে নেয়া। গভীর রাতে তিনশ ফিটে ঘুরতে নেয়া খেতে যাওয়া। নানান ফন্দি করে সুমনাকে ভুলিয়ে কঠিন পরকীয়া প্রেমে ফেলে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে । সুমনাকে স্বেচ্ছায় কিংবা জোর করে নিয়মিত ধর্ষন করতে থাকে। এরপর বিভিন্নভাবে প্রলোভন দেখিয়ে ও পরকীয়া প্রেমের মোহে ফেলে তার অলংকার ও নগদ ৬ লাখ নিয়ে ব্যবসার করার কথা বলে ফন্দি করে হাতিয়ে নেয়। সম্পর্ক শুরু করে রাত বিরাতে বেড়াতে নেয়া আর বিভিন্ন রেস্টুরেন্টে খাইয়ে সম্পর্ক গভীর করেন স্বামীর বন্ধুত্বের সৃুযোগে। সতারপর একসময় স্বামীর বাসাতেই নিয়মিত দৈহিক সম্পর্ক গড়ে তোলেন বিয়ের মিথ্যে প্রলোভনে। তানিয়া আক্তার সুমনা তার দুটি সন্তান নিয়ে গড়া সুখের সংসারে আগুন দেন এই হামিম। তানিয়া আক্তার সুমনার স্বর্ণালঙ্কার টাকা ফেরত দেয়া তো দুরের কথা স্বামীর কাছে চরিত্রহীন নারী প্রমান করে দিয়েছেন চম্পট। এ ব্যাপারে সবুজবাগ থানায় ১ আগষ্ট ২০২৬ ধর্ষণের মামলা করেন সুমনা। যার নম্বর ৭৪৫০(৫)১ যে মামলায় পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে চালান ও করে। কিন্তু দুঃখ ও পরিতাপের বিষয় হলো নারী ও শিশু নির্যাতন ননবেলএবেল বা জামিন অযোগ্য ধারা হলেও আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে মোঃ হামিম ওরফে সোহেল জামিনে মুক্তি পায়। জামিন নিয়ে আদালত চত্বরেই হামিম ওরফে সোহেল সুমনার ওপর শারিরীক নির্যাতন চালায় ও প্রাণ নাশের হুমকি দেয়! যার বিরুদ্ধে কোতোযালী থানায় ৬১৩ নম্বরের একটি সাধারণ ডায়েরী করেন সুমনা। যার তারিখ১১ আগষ্ট২০২৬। এভাবে বিয়ের প্রলোভনে ধষণ ও জোরপুর্বক শারীরিক সম্পর্ক গড়ে ওচাকা পয়সা স্বর্নালংকার হাতিয়ে নিয়েছে লম্পট ও ধর্ষক হামিম ওরফে সোহেল। প্রতিদিন রাতে দিনে শারীরিক সম্পর্ক বা ইজ্জত ছিনিয়ে নেয়া আর টাকা পয়সা স্বর্নালংকার ছিনিয়ে নেয়ায় শুধু না ভেঙ্গে দিয়েছে সংসার।চরিত্রহীনতার অভিযোগে সুমনাকে তালাক দিয়েছে তার স্বামী। বিচারের দাবীতে সোচ্চার হয়েছেন সুমনা পথের ভিখিরিতে পরিনত হবার পর।
এই হামিম ওরফে সোহেল পিতাঃ আব্দুল কাদের মাতাঃ সকিনা। ঠিকানা ঃ ৪২/এ সেগুন বাগিচা ৫ তলা প্রোপার্টি প্রাইম, ঢাকা। ১৭ বছর ফ্যাসিবাদের দালালী করেছে। শুধু সুমনার সাথে শারিরীক সম্পর্ক গড়ে সংসার ভাঙ্গেনি বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। সুন্দরী স্ত্রী সাথে শুধু কিশোরী কন্যাদের ভুলিয়ে ভালিয়ে বা ফুসলিয়ে তাদের সাথে দৈহিক সম্পর্ক গড়ে চম্পট দেয়ায় তার কাজ। এমনকি এখন যে ফ্লাটটিতে সে থাকে সেটিও আওয়মীলীগের এক আইনজীবির ফ্লাট। যা সে কৌশলে দখল করে রেখেছে বলে অভিযোগ আছে।
তার কাজ হলো সুন্দরী মেয়ে দেখলেই তাকে প্রলুদ্ধ করে নিয়মিত দৈহিক সম্পর্ক গড়া। প্রতিদির নতুন নতুন নারীর সাথে বিয়ের মিথ্যে প্রলোভনে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলে বলে অভিযোগ। যে প্রলোভনে ফেলে তানিয়া আক্তার সুমনার দুটি সন্তান নিয়ে গড়া সুখের সংসারে আগুন দেন এই হামিম। ব্যবসার প্রলোভনেহাতিয়ে সেয়াসুমনার স্বর্ণালঙ্কার আর টাকা ফেরত দেয়া তো দুরের কথা স্বামীর কাছে চরিত্রহীন নারী প্রমান করে দিয়েছে চম্পট।
চরিত্রহীনতার অভিযোগে সুমনাকে তালাক দিয়ে পথের ভিখিরিতে পরিনত করেছে এই হামিম ওরফে সোহেল।

