কুষ্টিয়া প্রতিবেদক ::
কুষ্টিয়ার বিশিষ্ট ব্যবসায়ি স্বপন কুমার সাহার বিরুদ্ধে শত শত কোটি টাকা মানি লন্ডারিং এর মাধ্যমে অর্থ ও সম্পদের পাহাড় গড়ার অভিযোগ দুদকে জমা পড়েছে। অভিযোগ বলা হয়েছে, স্বপন কুমার সাহা ঠিকানা ১৮৩/১ এম এম হোসেন সড়ক,আড়ুয়াপাড়া কুষ্টিয়া। তিনি দুর্নীতির মাধ্যমে গড়েছেন শত শত কোটি টাকা আর সম্পদের পাহাড়। সম্পদের মধ্যে রয়েছে, ২/৩ কেদারনাথ লেন বংশাল, ঢাকায় অনন্তত ৫টি বহুতল ভবন। আছে কুষ্টিয়ার আড়ুয়াপাড়ায় সাহাবীথি নামের দুতলা বাড়ি, ৫টি গোডাউন। আরো আছে বজলুর মোড় আড়ুয়াপাড়া কুষ্টিয়াতে ৬ তলা বিল্ডিং, ১২টি ফ্লাট, ৮টি গোডাউন। যেখানে মিস ডিক্লারেশনে আমদানী করা পণ্য ভর্তি আছে বলে অভিযোগে বলা হয়েছে। এছাড়া আড়ুয়াপাড়া সুর্যসেন ক্লাবের পাশে ৬ তলা বাড়িসহ ১২টি ফ্লাট ও গোডাউন রয়েছে। কুষ্টিয়ার মজমপুরে মেট্রো মটরস শো রুম , গোডাউন ও ভেড়ামারা বাইপাস সড়কে বহুতল ভবন রয়েছে। যে সম্পদ তিনি মানিলন্ডারিং করে ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থে গড়েছেন বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।
মুলতঃ তিনি ফ্যাসিবাদি রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের সাথে সম্পৃক্ততার সুযোগে ১০০ টাকা দামের পন্য ১০০০ টাকায় আমদানী দেখিয়ে শত শত কোটি টাকা মানি লন্ডারিং করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এছাড়া হুন্ডির মাধ্যমে নিজের এবং আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতাদের টাকা পাচার করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিযোগ বলা হয়েছে, এলসির ডিক্লারেশন ও আমদানী রেজিষ্টার খাতা চেক করলে মানিলন্ডারিং তথ্য প্রমান সহজে মিলে যাবে। আর ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড পিএলসি কুষ্টিয়া শাখার একাউন্ট নম্বর ১০৪১০০১৬২৩৯৭৪, ওয়ান ব্যাংক লিমিটেড পিএলসি কুষ্টিয়া শাখার একাউন্ট নম্বর ০৭০২০৭০০০১২৩২ এবং একই ব্যাংক শাখার এমএস মেট্রো ইম্পেক্স এর নামে একাউন্ট নম্বর ০৭০১০২০০০১৯৮১ এর মাধ্যমে ব্যাংকিং চ্যানেলে তারা যে এলসি করেছে তার প্রমান মিলবে। ভারতে আরটিজিএস করার তথ্যও এই একাউন্ট গুলোতে মিলবে। একই ব্যাংকিং চ্যানেলে যে অর্থ লেন দেন করেছেন তার বৈধতা কোথাও আছে কিনা তার উত্তর মিলবে বলে অভিযোগকারি বলেছেন।
অভিযোগকারি ফয়সাল আহমেদ বলেন, আসলে এদের হাত এত লম্বা যে, যে সরকার আসে এরা তাদের ছত্রছায়ায় চলে যায়। ফলে ভারতে সংসদ সদস্য আনারুল ওরফে আনারের মৃত্যুর মতো সব কিছু এরা ধামাচাপা দিয়ে ফেলে। আরো অনেক তথ্য তিনি দিতে পারবেন তবে দুদকে তদন্ত হলে তিনি সেগুলো উপস্থাপন করবেন বলে জানান।
তবে এবিষয়ে স্বপ্নন কুমার সাহার বক্তব্য জানতে তার ০১৭ –৩৭৩–৭ নম্বর মোবাইলে ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। তাকে ক্ষুদে বার্তা পাঠানো হলেও তিনি জবাব দেননি।
এখন দেখার বিষয়ে দুদক তার বিরুদ্ধে মামলা গ্বেরহন করবে কিনা কিংবা অভিযোগ আমলে নিয়ে তদন্ত করবে কিনা ?
নাকি সেই অভিযোগকারির অভিযোগের মত সব কিছু ধামাচাজা পড়ে যাবে।