নিরঞ্জন বিশ্বাস ::
সাবেক যোগাযোগ মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের মাসুদ ভালো হয়ে যাও সংলাপটির হোথা ইঞ্জিনিয়ার মাসুদুল আলম, এখন ঢাকায়। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ- বিআরটিএর এর ঢাকা বিভাগের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। বিআরটিএ -এর ঘুষ ও দুনীর্তিবাজ সহকরি পরিচালক হিসেবে ভাইরাল হয়েছিলেন ইঞ্জিনিয়ার মাসুদুল আলম। ফ্যাসিবাদী অভিযোগে অভিযুক্ত ও নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ শাসনের শুরুদিকে এই ভাইরাল সংবাদ প্রচার হয় বিভিন্ন গনমাধ্যমে।
সেদিন সরাসরি সম্প্রচার করা হয়েছিল সংবাদ।
মিরপুর বিআরটিএ কার্যালয়ে তখন মাসুদ ছিলেন সহকারি পরিচালক। দালালদারা পরিবেষ্টিত মাসুদ ছিলেন বিআরটিএ এর অ ঘোষিত কিং। গাড়ির রেজিষ্টেশন, ফিটনেস, ড্রাইভিং লাইসেন্স সব কিছুই টাকার বিনিময়ে করে দিতেন। টাকা না দিলে মাস বছর শেষ হলেও লাইসেন বা ফিটনেস কিংবা নম্বর প্লেট মিলতো্ না। এই অভিযোগের মাত্রা এতটাই হয়েছিল যে, খোদ যোগাযোগ মন্ত্রী হাতে নাতে ধরেই লাইল টিভি চ্যানেলের সাংবাদিকদের সামনে বলেছিলেন, মাসুদ ভালো যাও।
এরপর মন্ত্রী গেছে , উপদেষ্টা এসেছে, উপদেষ্টা গেছে আবার নতুন নতুন মন্ত্রী এসেছে। মাসুদের সামরাজ্য বড় হয়েছে। আর সেই মেয়াদ উত্তীর্ণ বাস, আর সড়কে চলাচল উপযোগি নয় এমন গাড়িও রেজিষ্ট্রেশন আর ফিটনেস পেয়ে যাচ্ছে দেদারছে। নম্বর প্লেট, ফিটসেব, কিংবা রেজিষ্টেশন পেতে ঘুষ দিতে হলেও সুবিধা হলো হয়রানী কমেছে।
বিআরটিএ ঢাকা বিভাগের অফিস সংখ্যা বেড়েছে কয়েকটি। বনানীতে হেড অফিস আর মিরপুরে বিভাগীয় অফিস ছাড়াও ঢাকার অফিস, ইক্যুরিয়া, জোয়ার সাহারা খিলক্ষেত, উত্তরা দিয়াবাড়ি ও পুর্বাচলে সাব অফিস হয়েছে।
শোনা যায়, মন্ত্রীসহ মন্ত্রনালয়ের বসদের গাড়ির তেলের যোগান এই অফিস থেকেই দেয়া হয়।
( বিস্তারিত আসছে)