সোশ্যাল প্রতিবেদক ::
কর্ণফুলী গার্ডেন সিটি নিয়ে শুনছি, সেখানে হাসপাতাল হতে পারে। ইস্টার্ন প্লাজার ব্যবসায়ীরাও উচ্ছেদের আশঙ্কায় সংবাদ সম্মেলন করেছেন। ধানমন্ডির রাপা প্লাজা নাকি ধুঁকছে। ফার্মগেটের সেজান পয়েন্ট, মালিবাগের হোসাফ টাওয়ার, মৌচাকের ফরচুন শপিং মল—কোনোটির ব্যবসা-বাণিজ্যের খবরই যেন স্বস্তির নয়। ভালো নেই শান্তিনগরের টুইন টাওয়ারও।
উৎকণ্ঠায় বাড্ডার সুবাস্তু শপিং কমপ্লেক্সের ব্যবসায়ীরা। টিকাটুলির রাজধানী সুপার মার্কেটে নাকি ক্রেতার দেখা মেলাই ভার। উত্তরা-আব্দুল্লাহপুরের পলওয়েল কারনেশন শপিং সেন্টারের খবরও সুখকর নয়। উত্তরা ঝমঝম টাওয়ারে বেচাকেনা ধসে পড়েছে বলে শোনা যাচ্ছে।
যমুনা ফিউচার পার্কের মতো বিশাল বিপণিবিতানের ভবিষ্যৎ নিয়েও কি নতুন করে ভাবার সময় এসেছে? মিরপুর-১-এর মার্কেটগুলোতে ক্রেতাদের উপস্থিতি কি আগের মতো আছে? মিরপুরের মুক্তবাংলায় দ্রুত বদলে যাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। শাহ আলী প্লাজা থেকেও কেউ কেউ দোকান ছেড়ে দিচ্ছেন।
এলিফ্যান্ট রোড, নিউমার্কেট ও গুলিস্তানের বেচাকেনা নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে। কোথাও বিক্রি কমেছে বলে ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, কোথাও ক্রেতার আনাগোনা কম। ইসলামপুর, চকবাজার, এমনকি বাংলাবাজারের বইয়ের বাজারেও ক্রেতাসংকটের কথা শোনা যাচ্ছে।
আর বসুন্ধরা সিটির ব্যবসায়ীদের দিকে তাকালে মনে হয়, তাঁদের কষ্টটা যেন ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়।
মধ্যবিত্ত ব্যবসায়ীরা খেটে মরছেন, আর তাঁদের চোখের সামনে ধীরে ধীরে ক্ষয়ে যাচ্ছে সারা জীবনের সঞ্চয় ও বিনিয়োগ।
# কালেক্টেড