নিজস্ব প্রতিবেদক ::
মোঃ হামিম ওরফে সোহেল পেশায় দালালীর কাজ করেন অথচ নিজেকে পরিচয় দেন আইনজীবি হিসেবে। আইনজীবি হওয়া দুরের কথা,যে লেখাপড়া সে করেছে তাতে মুহুরী হবার যোগ্যও না। অথচ এই ধুরন্ধর আইনজীবি পরিচয়ে অসংখ্য শুধু শারিরীক সম্পর্ক গড়েননি ভেঙ্গেছেন অনন্তত একডজ্জন নারীর সংসার। পারিবারিক বন্ধুত্বের সুযোগ নিয়েই তিনি অপরাধগুলো করেছেন এমন অভিযোগ ভুক্তভোগি অধিকাংশ নারীর। তানিয়া আক্তার সুমনা নামের ২৮ বয়সী সুন্দরী গৃহবধুর অভিযোগ এই চিটিংবাজ হামিম ওরফে সোহেল নিজেকে আইনজীবি পরিচয় দেন। তার স্বামীর সাথে পরিচয়ের সুবাদে বাসায় আসা যাওয়া করতে করতে ওেমের ফাদে।ফেলে সুযোগ বুঝে শারিরীক সম্পর্কে জড়িয়ে ফেলে।

প্র্তিদিন স্বামীর অনুপস্থিতিতে বাসায় এসে এসে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে। সুমনার বাবাঃ তাইজাল বেপারী ও মা ঃ পারুল বেগম বিষয়টি বুঝে উঠবার আগে হামিম ওরফে সোহেল এরপর বিভিন্নভাবে প্রলোভন দেখিয়ে তার অলংকার ও নগদ ৬ লাখ নিয়ে ব্যবসার করার কথা বলে ফন্দি করে সম্পর্ক শুরু করেন। রাত বিরাতে বেড়াতে নেয়া আর বিভিন্ন রেস্টুরেন্টে খাইয়ে সম্পর্ক গভীর করে তোলে।নস্বামীর বন্ধুত্বের সৃুযোগে বাসাতেই নিয়মিত দৈহিক সম্পর্ক গড়ে তোলেন বিয়ের মিথ্যে প্রলোভনে। তানিয়া আক্তার সুমনা তার দুটি সন্তান নিয়ে গড়া সুখের সংসারে আগুন দেন এই হামিম। তানিয়া ্আক্তার সুমনার স্বর্ণালঙ্কার টাকা ফেরত দেয়া তো দুরের কথা স্বামীর কাছে চরিত্রহীন নারী প্রমান করে দিয়েছেন চম্পট। এ ব্যাপারে সবুজবাগ থানায় ১ আগষ্ট ২০২৬ ধর্ষণের মামলা করেন সুমনা। যার নম্বর ৭৪৫০(৫)১ যে মামলায় পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে চালান ও করে। কিন্তু দুঃখ ও পরিতাপের বিষয় হলো নারী ও শিশু নির্যাতন ননবেলএবেল বা জামিন অযোগ্য ধারা হলেও আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে সে জামিনে মুক্তি পায়। জামিন নিয়ে আদালত চত্বরেই হামিম ওরফে সোহেল সুমনার ওপর শারিরীক নির্যাতন চালায় যার বিরুদ্ধে কোতোযালী থানায় ৬১৩ নম্বরের একটি সাধারণ ডায়েরী করেন সুমনা। যার তারিখ১১ আগষ্ট২০২৬। এভাবে বিয়ের প্রলোভনে টাকা পয়সা স্বর্নালংকার হাতিয়ে নেয়ায়শুধু না ভেঙোগ দিয়েছে সংসার। চরিত্রহীনতার অভিযোগে সুমনাকে তালাক দিয়েছে তার স্বামী। বিচারের দাবীতে সোচ্চার হয়েছেন সুমনা পথের ভিখিরিতে পরিনত হবার পর।
এই হামিম ওরফে সোহেল পিতাঃ আব্দুল কাদের মাতাঃ সকিনা। ঠিকানা ঃ ৪২/এ সেগুন বাগিচা ৫ তলা প্রোপার্টি প্রাইম, ঢাকা। ১৭ বছর ফ্যাসিকাদের দালালী করেছে। শুধু সুমনার সাথে শারিরীক সম্পর্ক গড়ে সংসার ভাঙ্গেনি বিভিন্ন ব্যক্তির কছ থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। স্ত্রী কন্যার সাথে দৈহিক সম্পর্ক গড়ে চম্পট দেয়ায় তার কাজ। এমনকি এখন যে ফ্লাটটিতে সে থাকে সেটিও আওয়মীলীগের এক আইনজীরি ফ্লাট দখল করে রেখেছে বলে অভিযোগ আছে।
তার কাজ হলো সুন্দরী মেয়ে দেখলেই তিকে প্রলুদ্ধ করে নিয়মিত দৈহিক সম্পর্ক গড়ে তোলেন বিয়ের মিথ্যে প্রলোভনে।যে প্রলোভনে ফেলে তানিয়া আক্তার সুমনার দুটি সন্তান নিয়ে গড়া সুখের সংসারে আগুন দেন এই হামিম। তানিয়ার স্বর্ণালঙ্কার টাকা ফেরত দেয়া তো দুরের কথা স্বামীর কাছে চরিত্রহীন নারী প্রমান করে দিয়েছে চম্পট।
চরিত্রহীনতার অভিযোগে সুমনাকে তালাক দিয়ে পথের ভিখিরিতে পরিনত করেছে এই হামিম ওরফে সোহেল। (চলবে)

