রবিউল ইসলাম রাজ ::
নায়িকা পরীমনি বছরে ১শো প্রযোজক এফডিসিতে আনতে পারতো! কিন্তু বোর্ডক্লাবের মামলা চোখ খুলে দিছে তার । তিনি এ চেষ্টা আর করবেন না।
নায়িকা পরীমনির ইতিহাস আমরা সবাই জানি। সে কোথা থেকে কোথায় চলে আসছে – তার আজকের অবস্হান সে নিজেই তৈরী করছে। তাকে কেউ সাহায্য করেন নাই। যদি কেউ হেল্প করেও থাকে, তাহলে বিনিময়ে সাহায্যে করেছেন, পরীকে কেউ নিঃস্বার্থ ভাবে সাহায্য করেন নাই।
নায়িকা পরীমনি তার ছোট্ট চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারে, বহু মানুষকে সাহায্য সহযোগিতা করেছেন। তার গোপনে দেওয়া বিষয়টি না জানতে পারলেও প্রতি বছর কোরবানীর ঈদে গরু কোরবানী দেওয়াটা দেশবাসী সবাই জানে।
তারপরেও বোর্ডক্লাবের তুচ্ছ একটি ঘটনায় নায়িকা পরীমনির নামে মামলা হয়েছিলো। তখন পরী তার এফ ডি সির শিল্পী সমিতির সাহায্য চেয়েছিলেন।
শিল্পী সমিতির তৎকালীন সভাপতি ভিলেন মিশা সওদাগর এবং সাধারন সম্পাদক ছিলেন নায়ক জায়েদ খান। পরীকে সাহায্য তো দুরের কথা উল্টো আরও তার সদস্য পদ বাতিল করে দেন।
এ ছাড়াও পরীমনি এফ ডি সির অনেকের সাহায্য চেয়েছিলেন। কিন্তু সে দিন কেউ এগিয়ে আসেন নাই ! তাই তো কথাটি বলেছি, পরী ইচ্ছে করলে এক বছরে এফ ডি সিতে এক শো প্রযোজক আনতে পারেন কিন্তু তিনি আনবেন না –
কারন তার এই ছোট্ট ক্যারিয়ারে চলচ্চিত্রের মানুষদের চেনা হয়ে গেছে। নায়িকা পরীমনির মতো বহু নায়িকার সঙ্গে এই ভাবে চলচ্চিত্রের মানুষেরা পলেটিক্স করেন। যার কারনে নায়িকারা নতুন প্রযোজকদের আনেন না। অথচ তারা ইচ্ছে করলেই আনতে পারেন।
এই হচ্ছে বর্তমান চলচ্চিত্রের অবস্হান। নায়িকারা ছাড়া নতুন প্রযোজক আনার যোগ্যতা কারো নেই – এটাই পরিস্কার কথা, আর যে সব নতুন পরিচালকেরা নতুন প্রযোজক নিয়ে ছবি বানাতে আসতেছেন এফ ডি সিতে – তাদের সঙ্গেও পলেটিক্স করা হয়। সে কারনেও অনেক নতুক প্রযোজক এক ছবি করার পরেই চলচ্চিত্র থেকে বিদায় নেয়।
সব মিলে আগামীর চলচ্চিত্র কেমন হবে। আর শিল্পী টেকনিশিয়ানেরা কি ভাবে বাঁচবেন। তার কোন নিশ্চয়তা নেই। তবুও তারা গেম আর পলেটিক্স করা ছাড়বে না।
নায়িকা পরীমনি তোমার জন্য দোয়া রইল। কারন তোমার মনটা পাহাড়ের চেয়েও বড়। কিন্তু ওরা চিনতে পারলো না।
# লেখক রবিউল ইসলাম রাজ একজন চলচ্চিত্র পরিচালক।

