ঢাকারবিবার , ১ নভেম্বর ২০২৬
  1. অন্যান্য
  2. অপরাধ-দুর্নী‌তি-আইন শৃংখলা
  3. অর্থনীতি
  4. আইন আদালত
  5. আইন ও পরামর্শ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আবহাওয়া
  8. ইসলাম ও ধর্ম
  9. এবি‌সি টি‌ভি
  10. কর্পোরেট
  11. কৃষি
  12. ক্রিকেট
  13. খুলনা
  14. খেলাধুলা
  15. গন মাধ‌্যম ও সাংবা‌দিকতা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সাতক্ষীরায় কুল চাষে অভাবনীয় সাফল্য পেয়েছেন কৃষকরা

muktabangla
নভেম্বর ১, ২০২৬ ২:০১ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

মিহিরুজ্জামান ::
সাতক্ষীরার তালা উপজেলায় কুল চাষে অভাবনীয় সাফল্য পেয়েছেন কৃষকরা। উৎপাদিত কুল স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে প্রতিদিন ট্রাকে করে ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হচ্ছে। লাভ জনক হওয়ায় দিন দিন বাড়ছে এ অঞ্চলে কুলের আবাদ। স্থানীয় বাজার গুলোতে খুচরা ও পাইকারি পর্যায়ে কুল কেনাবেচা জমে উঠেছে। এ অঞ্চলে বিলাতি মিষ্টিকুল, থাই আপেল, বল সুন্দরী, কাশ্মীর আপেল, দেশি আপেল, নারিকেল, বোম্বাই ও টক জাতের কুলের চাষ হচ্ছে। গুণগত মান ভালো হওয়ায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এসব কুলের চাহিদা বাড়ছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী,চলতি মৌসুমে সাতক্ষীরা জেলার সাতটি উপজেলায় প্রায় ৯৫০ হেক্টর জমিতে কুল চাষ হয়েছে। ২০১৯ সালে জেলায় কুলের আবাদ ছিল প্রায় ৫৫০ হেক্টর। বর্তমানে তালা ও কলারোয়া উপজেলায় সবচেয়ে বেশি কুল উৎপাদিত হচ্ছে। জেলায় বছরে প্রায় ১৭ থেকে ১৮ হাজার মেট্রিক টন কুল উৎপাদিত হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। উৎপাদিত কুল স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে ঢাকা,চট্টগ্রাম, খুলনা সহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ করা হয়। তালা উপজেলার কুল চাষি পাঞ্জাব আলী জানান,গত আট বছর ধরে তিনি কুল চাষ করছেন। অন্যের জমি ইজারা নিয়ে সাত বিঘা জমিতে আপেল কুল,বল সুন্দরী,বিলাতি মিষ্টি কুল,কাশ্মীর আপেল,দেশি,নারিকেল ও বোম্বাই জাতের কুল চাষ করেছেন। গত ছয় বছর ধরে তাঁর বাগানে নিয়মিত কুল উৎপাদিত হচ্ছে। প্রতি মৌসুমে তিনি ১২ থেকে ১৩ লাখ টাকার কুল বিক্রি করেন। চলতি মৌসুমেও বিক্রি শুরু হয়েছে। স্থানীয় ও খুলনার ব্যবসায়ীরা তাঁর বাগান থেকে কুল কিনছেন।কুল চাষি ও শিক্ষক লাল্টু বলেন,গত পাঁচ বছর ধরে নিজের জমিতে কুল চাষ করছেন তিনি। গত বছর ১০ বিঘা জমিতে আপেল কুল চাষ করে ছয় লাখ টাকা লাভ করেছেন। তাঁর মতে, অন্য ফসলের তুলনায় কুল চাষ বেশি লাভ জনক। মাত্র সাড়ে তিন মাসের মধ্যে ফসল পাওয়া যায় এবং ঝুঁকিও তুলনা মূলক কম। পাইকারি কুল ব্যবসায়ী ও আড়তদার রাসেল হোসেন জানান, সাতক্ষীরায় উৎপাদিত কুলের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। খুলনা ছাড়াও বরগুনা, পটুয়াখালী,মাদারীপুর,বরিশাল ও পিরোজপুরে কুল সরবরাহ করেন তাঁরা। প্রতি মণ আপেল কুল ও বিলাতি মিষ্টি কুল ৩ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার ৬০০ টাকা দরে কেনেন তিনি। প্রতি মৌসুমে সাত থেকে আট হাজার মণ কুল কেনা বেচা করেন বলেও জানান তিনি।
সাতক্ষীরা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ ড. মো.জামাল উদ্দিন বলেন,অল্প সময়ে ভালো লাভ পাওয়া যায় বলে জেলায় কুল চাষ দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে। বছরে জেলায় ১৭ থেকে ১৮ হাজার মেট্রিক টন কুল উৎপাদিত হয় বলে জানান তিনি। কুল চাষের এ সাফল্যে উপকৃত হচ্ছেন দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বহু কৃষক। উৎপাদন আরও বাড়াতে প্রয়োজনীয় সহায়তা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন তালার চাষিরা।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।