ঢাকারবিবার , ২৫ অক্টোবর ২০২৬
  1. অন্যান্য
  2. অপরাধ-দুর্নী‌তি-আইন শৃংখলা
  3. অর্থনীতি
  4. আইন আদালত
  5. আইন ও পরামর্শ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আবহাওয়া
  8. ইসলাম ও ধর্ম
  9. এবি‌সি টি‌ভি
  10. কর্পোরেট
  11. কৃষি
  12. ক্রিকেট
  13. খুলনা
  14. খেলাধুলা
  15. গন মাধ‌্যম ও সাংবা‌দিকতা

সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য আমাদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় সম্পদ : সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী

muktabangla
অক্টোবর ২৫, ২০২৬ ১০:১৮ অপরাহ্ণ
Link Copied!

বান্দরবান প্রতি‌বেদক ::

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেছেন, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য আমাদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় সম্পদ। একটি সংস্কৃতিমনস্ক ও মেধাবী জাতি গঠনে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

আজ বান্দরবান ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট পরিদর্শনের সময় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী এসব কথা বলেন।

এসময় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু এবং সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম উপস্থিত ছিলেন। পরিদর্শন শেষে ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে পাহাড়ের বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি, ভাষা, ঐতিহ্য ও লোকজ জ্ঞান সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা হয়।

সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর নিজস্ব ভাষা, লোকসংগীত, নৃত্য, পোশাক, উৎসব ও অনন্য ঐতিহ্য আমাদের জাতীয় সংস্কৃতিকে বহুগুণে সমৃদ্ধ করেছে। এই অমূল্য ঐতিহ্য সংরক্ষণ করে তা পরবর্তী প্রজন্মের কাছে সফলভাবে পৌঁছে দিতে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি স্থানীয় সাংস্কৃতিক কর্মী ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত জরুরি।

স্থানীয় সংস্কৃতির সঠিক বিকাশে সাংস্কৃতিক সংগঠন ও শিল্পীদের কাজের সুযোগ বৃদ্ধির ওপর জোর দিয়ে নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, ঐতিহ্যবাহী শিল্পচর্চায় তরুণ প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করা এবং বিভিন্ন সম্প্রদায়ের সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডকে উৎসাহিত করতে সরকারি প্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় সংগঠনগুলোর সমন্বয় আরো জোরদার করা হবে।

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, পাহাড়ের প্রতিটি জাতিসত্তার মানুষের স্বতন্ত্র সাংস্কৃতিক পরিচয় ও গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্য রয়েছে। এসব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা গেলে একদিকে যেমন স্থানীয় সংস্কৃতির বিকাশ ঘটবে, অন্যদিকে দেশের সামগ্রিক সাংস্কৃতিক দিগন্ত আরো প্রসারিত ও সমৃদ্ধ হবে।

তিনি বলেন, পাহাড়ের মানুষের সংস্কৃতি, কৃষ্টি, শিল্প, ইতিহাস, ঐতিহ্যবাহী পোশাক-পরিচ্ছদ এবং বিভিন্ন জাতিসত্তার মানুষের মাতৃভাষা সংরক্ষণ ও গবেষণার ক্ষেত্রে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়ন মানেই সামগ্রিক বাংলাদেশের উন্নয়ন উল্লেখ করে সাচিং প্রু বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম কিংবা সমতল— বাংলাদেশের যে প্রান্তেই বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মানুষ বসবাস করুক না কেন, তাদের নিজস্ব ভাষা-সংস্কৃতির সুরক্ষা, আধুনিক শিক্ষার সুযোগ বৃদ্ধি এবং উন্নত জীবনযাত্রার মান নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তাঁর সরকার অত্যন্ত আন্তরিক।

সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বলেন, আগামী এক বছরের মধ্যেই বান্দরবান জেলায় একটি অত্যাধুনিক ও উন্নত মানের কালচারাল কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হবে। পাশাপাশি, থানচি উপজেলায় অবস্থিত ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ইনস্টিটিউটকে খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে আরো আধুনিক ও উন্নত সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন করে গড়ে তোলা হবে।

এসময় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান পার্বত্য জেলা প্রশাসক নাজনীন সুলতানা, পুলিশ সুপার ওহাবুল ইসলাম খন্দকার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এস এম হাসান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মারুফা সুলতানা খান হীরামণিসহ স্থানীয় সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিশিষ্ট প্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।